• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SP

দেশ

৪২ থেকে ৬৩! বাংলার লোকসভা আসনে বড়সড় বৃদ্ধি, কী হচ্ছে সংসদে?

আজ থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন, আর প্রথম দিন থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠার সম্ভাবনা। এই অধিবেশন ডাকা হয়েছে মূলত ৩৩ শতাংশ মহিলা আসন সংরক্ষণ বিল পাশের জন্য। তবে এর পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হবে। একটি লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিল এবং অন্যটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইনের সংশোধনী বিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই তিনটি বিল নিয়েই সংসদে তুমুল বিতর্ক হবে। বিরোধীরা মহিলা সংরক্ষণ বিলকে সমর্থন করলেও, আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করতে পারে।প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে লোকসভা ও বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় এখন বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। নতুন করে ভাবা হচ্ছে, শুধু জনগণনার ভিত্তিতে নয়, প্রতিটি রাজ্যের বর্তমান লোকসভা আসনের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। যদিও এই বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিক বিলে উল্লেখ নেই, তবে সূত্রের খবর, বিল পেশের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদা করে এই বিষয়ে ঘোষণা করতে পারেন।এই নতুন ফর্মুলা কার্যকর হলে বিভিন্ন রাজ্যের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। যেমন, তামিলনাড়ুর আসন সংখ্যা ৩৯ থেকে বেড়ে ৫৯ হতে পারে। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা আসন ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে বলে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এর আগে ২০২৩ সালে বলা হয়েছিল, ২০২৭ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। কিন্তু এখন সেই সিদ্ধান্ত বদলে ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্বিন্যাস করার কথা বলা হচ্ছে। এতে মোট লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে প্রায় ৮৫০ হতে পারে।এই বিষয়েই আপত্তি তুলছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্র নিজের সুবিধামতো আসন সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। যদিও মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তাদের সমর্থন রয়েছে, কিন্তু ডিলিমিটেশন বিল উঠলেই তারা তীব্র বিরোধিতা করবে বলে জানা গেছে।লোকসভায় কোনও বিল পাশ করাতে গেলে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, ৫৪৩ জনের মধ্যে অন্তত ৩৬০ জনের সমর্থন দরকার। বর্তমানে শাসক জোটের হাতে রয়েছে ২৯৩টি আসন। ফলে এই বিল পাশ করানো সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি লোকসভায় বিল পাশ না হয়, তাহলে সেটি আর রাজ্যসভায় পেশ করা যাবে না।এই পরিস্থিতিতে আজকের অধিবেশন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, স্পেনের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা!

ইরানকে ঘিরে চলা সামরিক অভিযানের মধ্যে বড় কূটনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি জানান, স্পেন যদি আমেরিকার সেনাবাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেয়, তবে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, স্পেনের আচরণ অত্যন্ত খারাপ। তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন, স্পেনের সঙ্গে সব লেনদেন বন্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে। অর্থমন্ত্রীও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থানকে সমর্থন করেন এবং জানান, প্রয়োজন হলে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে।এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ স্পেনের রোটা ও মোরোন সামরিক ঘাঁটি থেকে আমেরিকা তাদের অন্তত পনেরোটি বিমান সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে ছিল জ্বালানি ভরার ট্যাঙ্কার বিমানও। স্পেনের সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্ব জানিয়ে দেয়, ইরানের উপর হামলার মতো অভিযানে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। স্পেনের বিদেশমন্ত্রী হোসে মানুয়েল আলবারেস বলেন, এই সামরিক অভিযান তাদের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় পড়ে না এবং তা জাতিসংঘ সনদের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত ইতিমধ্যেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় উপসাগরীয় একাধিক দেশে, যেখানে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কাতার, কুয়েত ও বাহরিনে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর মিলেছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব ও ওমানেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সংকটে ইতিমধ্যেই পাঁচশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। নিহতদের মধ্যে ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির উপর।স্পেনকে ঘিরে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কূটনৈতিক টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর শুনানিতে কেবল ২০১০-এর আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ, স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার জনশুনানিতে কোন কোন ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্য হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ২০১০ সালের আগে ইস্যু হওয়া ওবিসি শংসাপত্রই কেবল এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে যেসব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলি কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেটগুলি যেন এসআইআরের কাজে গ্রহণ না করা হয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনগুলিকে।প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ মে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত ইস্যু হওয়া সব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল ঘোষণা করে। আদালতের মতে, ওই সময়কালে ওবিসি তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যথাযথ সামাজিক, আর্থিক ও পেশাগত সমীক্ষা করা হয়নি।হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী, ২০১০ সালের আগে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পরে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ২০১০ সালে ৪২টি এবং তৃণমূল সরকারের সময় ২০১২ সালে আরও ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আদালত সেই পরবর্তী সংযোজনগুলিকেই অবৈধ ঘোষণা করে।রায়ে আরও বলা হয়, নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত চাকরি বা শিক্ষা ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১০ সালের আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ বলে গণ্য হবে। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় একই নীতি অনুসরণ করছে বলে সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, জনশুনানি পর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) এবং জন্ম শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট নথি জেলা প্রশাসনগুলির কাছে চেয়ে পাঠিয়েছিল। চলতি বছরের ১২ জুন রাজ্য সরকার যে সংশোধিত ওবিসি তালিকা প্রকাশ করেছে, সেটিও কমিশন বিবেচনায় নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কথা বলতেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ৭ মাস জেল, শেষে অভিষেকের চেষ্টায় ঘরে ফিরলেন দুই যুবক

মঙ্গলবার বিমানবন্দর থেকে দিল্লি যাওয়ার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাংলায় কথা বলার জেরে মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি হওয়া দক্ষিণ দিনাজপুরের দুই পরিযায়ী শ্রমিক অবশেষে ঘরে ফিরেছেন তাঁর উদ্যোগেই। তিনি জানান, ওই দুই যুবকের নাম অসিত সরকার এবং গৌতম বর্মণ। একজন তপনের বাসিন্দা, অন্যজন কুমারগঞ্জের। অভিষেক বলেন, অসিত সরকার নিজেকে বিজেপির বুথ সভাপতি বলে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মুম্বইয়ে কাজ করছেন। কিন্তু হঠাৎ মহারাষ্ট্র পুলিশের অভিযানে তাঁকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। অভিযোগ, স্ত্রী কেঁদে অনুরোধ করলেও সাংসদের তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি।বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম গ্রামপঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার একটি গোডাউনে কাজ করতেন। পরিবারের দাবি, তিনি ভালোভাবে হিন্দি বলতে পারেন না। মুম্বইয়ে পুলিশের জেরার সময় বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে তিনি কোনওরকমে বাঙাল শব্দটি বলেন। এরপরেই তাঁর গায়ে বাংলাদেশি হওয়ার তকমা সাঁটা হয়। অভিযোগ, এই সন্দেহেই প্রায় সাত মাস তাঁকে মুম্বইয়ের জেলে থাকতে হয়। পরিবার নানা নথিপত্র নিয়ে বিজেপি সাংসদের দ্বারস্থ হলেও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি।গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসিন্দা গৌতম বর্মণও একই পরিস্থিতির শিকার হন। তৃণমূলের দাবি, তিনিও বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। তবু বিজেপির তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি। বিষয়টি জানার পর তৃণমূল নেতৃত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই তিনি উদ্যোগ নিয়ে দুই পরিযায়ী শ্রমিককে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন।সোমবার জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অম্বরিশ সরকার নিজে উদ্যোগ নিয়ে দুই যুবককে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। দীর্ঘদিন পরে ছেলে বাড়ি ফেরায় খুশিতে চোখে জল পরিবারের সদস্যদের। অসিত সরকার বলেন, এতদিন পরে বাড়িতে ফিরতে পেরে তিনি খুবই স্বস্তিতে আছেন। অম্বরিশ সরকারের দাবি, বিজেপির বুথ সভাপতি হয়েও অসিত এবং গৌতম কেউই দলের তরফে সাহায্য পাননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁদের ঘরে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।যদিও এই অভিযোগ নিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ওই যুবকেরা আদৌ বুথ সভাপতি ছিলেন কি না, তা তিনি জানেন না। তাঁর দাবি, গোটা বিষয়টি তৃণমূলের অপপ্রচার। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন রাজ্যে কাজ নেই বলেই মানুষ ভিনরাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
রাজ্য

ছুটির দিনে গোপন বৈঠক! নানুরে SP–কে নিয়ে রহস্যে ঢাকল বীরভূম—ভোটের আগে তুঙ্গে জল্পনা

নিজস্ব সংবাদদাতা: বীরভূমে ছুটির দিনে হঠাৎই জেলা পুলিশের এসপির গোপন বৈঠক ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার বিকেল তিনটে থেকে পাঁচটার মধ্যে সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়। ঠিক কী কারণে এমন একান্ত বৈঠক করা হল, তা নিয়ে নানুর জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ, সামনে বিধানসভা ভোট। ভোটের আগে পুলিশ সুপারের এমন গোপনীয় সভা স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এসআইআর নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কারণ, আগের দিনই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ কেষ্ট মণ্ডল একটি সভায় কেন্দ্রীয় নীতি নিয়ে কড়া বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বীরভূমে কোনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নেই এবং এখানে এসআইআর বা এনআরসি কোনও ভাবেই কার্যকর হবে না। কেষ্টের ওই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এসপির সঙ্গে বৈঠক হওয়ায় নতুন করে জল্পনা আরও বেড়েছে।এদিকে, নানুরে সম্প্রতি তৃণমূলের এক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন হন এক স্থানীয় নেতা। অভিযোগ উঠেছে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে হত্যা করেছে কাজল শেখের গোষ্ঠী। খুন হওয়া নেতা ছিলেন কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। তাই এই বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনার বিষয় হতে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর।ঘটনা নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, এই বৈঠকে খুনের পরিকল্পনাও হতে পারে। তাঁর দাবি, কে কাকে খুন করল এবং পুলিশ কীভাবে তাকিয়ে বসে থাকে, সেই নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। যদিও পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কেউ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি।ছুটির দিনে এমন গোপন বৈঠক হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে রহস্য আরও গভীর হয়েছে। বীরভূমে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে এখনই নতুন চর্চা শুরু হয়েছে জেলায়।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

‘দূরত্ব’ জল্পনায় ফুলস্টপ? রামলালার সামনে একসঙ্গে আরতি করলেন মোদী-ভগবত

সেজে উঠেছে রামনগরী। মঙ্গলবার রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের জন্য সকাল থেকেই অযোধ্যায় মানুষের ঢল। ঠিক সময়মতো সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রাম মন্দিরে গিয়ে যোগ দিলেন পুজোর কাজে। তাঁর পাশেই দেখা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতকে। দুজনে পাশাপাশি হেঁটে মন্দির চত্বরে ঢুকলেন, তারপর রামলালার সামনে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে করলেন আরতি। এই দৃশ্যেই নতুন করে সরগরম রাজনীতি।কারণ, বাংলায় ২৬ তারিখ ভোট। তার পরের দিনেই উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন। লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেয়েছিল গেরুয়া শিবির। সেই ক্ষত মেরামত করতে মোদীভগবতকে একই মঞ্চে দেখা যাওয়া যে নির্বাচনী দিক থেকে বিরাট তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বয়সের সীমা, মেয়াদকাল নিয়ে মতবিরোধএসব নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছিল দুই পক্ষের সম্পর্ক। এমনকি বাংলায় বিজেপির ফলাফলও নাকি সঙ্ঘকে অসন্তুষ্ট করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে রাম মন্দিরে একই মঞ্চে মোদীভগবতের উপস্থিতি দূরত্ব ঘোচানোর ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই ছবি নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের ঐক্যকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।অযোধ্যায় এদিন উৎসবের আবহ। ভোর থেকেই রাস্তায় নেমেছেন সাধারাণ মানুষ। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন দেখতে এসেছেন লক্ষাধিক দর্শনার্থী। পাশাপাশি রাম মন্দির ট্রাস্টের আমন্ত্রণে উপস্থিত হতে চলেছেন প্রায় ৭ হাজার বিশিষ্ট অতিথিনেতা-মন্ত্রী, গবেষক, দাতা, শিল্পপতিকাদেরই নেই সেই তালিকায়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার ধ্বজা উত্তোলনের জন্য ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময়কে শুভক্ষণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই গেরুয়া ধ্বজা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।এত আয়োজনের মাঝেই উঠেছে এক প্রশ্নহঠাৎ এই ধ্বজা উত্তোলনের তাৎপর্য কী? রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির বক্তব্য, এই মুহূর্তটিই নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করবে। যদিও বাস্তবে মন্দির চত্বরে কিছু ক্ষুদ্র কাজ এখনো বাকি, তবুও ধ্বজা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই মন্দিরের পূর্ণতা উদযাপন করা হবে।অযোধ্যায় এখন আক্ষরিক অর্থেই উৎসব। আর তার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত রেখে গেলেন মোদী ও ভগবতএকই ফ্রেমে, একই মঞ্চে, রামলালার সামনে।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

রাম মন্দিরে ভিড়ের ঢল, মোদীর দাবি—‘আজ ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের দিন’

অবশেষে ক্ষত সারল। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের ঠিক পরেই এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে তাঁর সুরে মিশে ছিল ঐতিহাসিক গর্ব, রাজনৈতিক ইঙ্গিত এবং সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাস। ৫০০ বছরের আন্দোলন, লড়াই, রক্তপাত আর অপেক্ষার পর মঙ্গলবার যেটি ঘটল, তাকে প্রধানমন্ত্রী দেশের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের নতুন অধ্যায় বলে ব্যাখ্যা করলেন।মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে উত্তোলন হয় রাম মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা। অযোধ্যায় তখন মানুষের ঢল। রাস্তায়, ঘাটে, মন্দিরপ্রাঙ্গণেদেখার মতো ভিড়। শুধু সাধারণ মানুষ নন, উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার বিশেষ অতিথি। এমন অনুষ্ঠানকে জীবনের গর্বের মুহূর্ত বলেই উল্লেখ করেন মোদী। তাঁর কথায়,আজ অযোধ্যা ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার চূড়ায় পৌঁছল। প্রতিটি রামভক্তের কাছে আজকের দিন অসীম তৃপ্তির।ভাষণের একাধিক জায়গায় প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যাকে তুলনা করেন রাম রাজ্য-র সঙ্গে। তাঁর দাবি, দেশের ভেতরেও এখন সেই রামরাজ্যের নীতি ও আদর্শ নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হবে। ধ্বজার গেরুয়া রঙকে তিনি ব্যাখ্যা করেন সূর্যের আলো ও ধর্মের প্রতীক হিসেবে। ধ্বজায় থাকা ওঁম এবং কোভিদার গাছকেও তিনি রাম রাজ্যের প্রতীক বলেই উল্লেখ করেন।সবচেয়ে নজর কাড়ে মোদীর স্লোগান। বিজেপি শিবিরে বছরের পর বছর ধরে জয় শ্রীরামই পরিচিত। কিন্তু ধ্বজা উত্তোলনের পর প্রধানমন্ত্রী উচ্চারণ করেনজয় সিয়ারাম।অযোধ্যাবাসীর প্রচলিত সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতেই এমন স্লোগান, দাবি স্থানীয়দের একাংশের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উচ্চারণের মধ্যেও থাকতে পারে নরম সুরে সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা।এই ভাষণে সম্পূর্ণ রাজনীতি নেইএমনটা ভাবা কঠিন। তাই প্রত্যাশিত ভাবেই মোদীর কথায় উঠে আসে কংগ্রেসের প্রসঙ্গ। স্বাধীনতার পর রাজনীতিতে বিদেশপ্রীতি এবং দাসত্বের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি,স্বাধীনতা পেলাম বিকৃত রূপে। বিদেশি ব্যবস্থা ভালো, স্বদেশি নয়এ বিশ্বাস থেকেই দাসত্বের যুগ শুরু হয়। কিন্তু সত্যি কথা হলভারতই গণতন্ত্রের জনক।এই বক্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন বেড়েছেরাম মন্দিরের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান কি তবে নির্বাচনী বার্তার মঞ্চ হয়ে উঠল? মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা কি শুধুই ধর্মীয় প্রতীক, নাকি তার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে ভবিষ্যৎ রাজনীতির পথরেখা?অযোধ্যায় এখনো উচ্ছ্বাস থামেনি। তবে মোদীর ক্ষত সারল মন্তব্যএটি কি বাবরি মসজিদ ঘটনাকে সূক্ষ্মভাবে উস্কে দিল? সেই প্রশ্নে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নতুন বিতর্ক।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

এবার পুজোয় বাসেই সিকিম, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্স, তাকলাগানো প্যাকেজ NBSTC-র!

আসন্ন দুর্গাপুজোয় উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম (এনবিএসটিসি) পর্যটকদের জন্য নিয়ে আসছে নতুন চমক। সবুজের পথে হাতছানি নামে একাধিক ভ্রমণ প্যাকেজ চালু করতে চলেছে সংস্থা। ফলে সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং কিংবা ডুয়ার্স ঘোরার সুযোগ মিলবে অনেক কম খরচে। খাওয়াদাওয়া মিলিয়ে ভ্রমণের ব্যয় ধরা হয়েছে মাত্র ৭০০ টাকা থেকে সর্বাধিক ২৫০০ টাকার মধ্যে। বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়িতে এমনটাই ঘোষণা করেছেন নিগমের চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায়।তিনি জানান, এক দিনের ট্যুর থেকে শুরু করে দুদিন-এক রাত কিংবা তিন দিন-দু রাতের মতো নানা রকমের প্যাকেজ সাজানো হচ্ছে। খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই টিকিট বুকিংয়ের সুবিধা রাখা হবে। পাশাপাশি পর্যটক আকর্ষণে রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ডে মাইকিং, লিফলেট বিলি এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার থেকে এই বিশেষ প্যাকেজ পরিষেবা চালানো হবে। প্রতিটি জায়গায় দুটি করে বাস থাকছে ১৬ সিট ও ২৬ সিটের। চাহিদা বাড়লে গাড়ির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।পর্যটন মানচিত্রে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক ছাড়াও থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁও, ঝালং, বিন্দু, লাটাগুড়ি, মূর্তি, গোরুমারা, জলদাপাড়া, রাজাভাতখাওয়া ও জয়ন্তী। নিগমের চেয়ারম্যানের বক্তব্য, আমাদের লক্ষ্য একটাই স্বল্প খরচে বেশি জায়গা ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়া। পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় দুর্গাপুজো ঘোরার বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে।এই উদ্যোগে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। লাটাগুড়ি হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ। জলপাইগুড়ি বা লাটাগুড়ি থেকে সরাসরি দার্জিলিং বা গ্যাংটক গেলে বহু পর্যটক প্রথমে ডুয়ার্স ঘুরে পাহাড়ে যেতে চাইবেন। এতে খরচ কমবে এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও বাড়বে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিহার থেকে ডুয়ার্সের সরাসরি সরকারি বাস চালু হলে আরও পর্যটক টানতে সুবিধা হবে। নিগম কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।এছাড়া মহালয়ার পরদিন থেকে চতুর্থী পর্যন্ত প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ পুজো পরিক্রমা চালানোর পরিকল্পনাও করছে এনবিএসটিসি। একইসঙ্গে পুজোর সময় কলকাতা-উত্তরবঙ্গ রুটে অতিরিক্ত বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যে ১১টি বাস প্রতিদিন চলছে, তার সঙ্গে আরও দশটি যোগ করার চেষ্টা চলছে। দীঘা রুটেও সপ্তাহে দুদিনের বদলে চার দিন বাস চালানো হবে।সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, পুজোর মরসুমে উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে নতুন গতি দিতে একাধিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে এনবিএসটিসি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

রক্ত ও জল একসঙ্গে নয়, স্বাধীনতা দিবসে ফের মোদীর আগুনে হুঙ্কার

আজ দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তেরঙ্গা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের পর তিনি ভাষণ শুরু করেন। এদিন তিনি স্পষ্ট বার্তা দেনভারত আর কোনওভাবেই পারমাণবিক হুমকি বা ব্ল্যাকমেলিং সহ্য করবে না।অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেওয়া সেনাদের স্যালুট জানিয়ে মোদী বলেন, সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও ৩ হাজার ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মোদী বলেন, প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা উড়ছেহোক তা মরুভূমি, হিমালয়, সমুদ্রতট বা শহর। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান এবং ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত সংকল্পকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

লাল কেল্লা থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেননি দেশের এই ২ প্রধানমন্ত্রী, কারণ জানলে চমকে যাবেন

Independence Day 2025: ভারতের স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অন্যতম গর্বের দিন। ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট আমরা উদযাপন করব দেশের ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালের এই দিনে দীর্ঘ ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। অসংখ্য সংগ্রামী মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস এবং অবিচল মনোবল আমাদের এনে দিয়েছে স্বাধীনতার স্বাদ। সাধারণত প্রতি বছর ১৫ আগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল কেল্লার প্রাচীর থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। এই ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল ১৯৪৭ সালে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর হাত ধরে।তবে জানেন কী দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী যারা কোনওদিন লালকেল্লা থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেননি। কিন্তু তার পিছনে কী কারণ রয়েছে? সেটা হয়তো অনেকেই জানেন না। স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ এই দিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী ঐতিহ্য অনুযায়ী লালকেল্লার প্রাচীর থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। কিন্তু দেশের ইতিহাসে এমনও দুই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যারা কখনও এই সুযোগ পাননি। তারা হলেন গুলজারিলাল নন্দ ও চন্দ্রশেখর।গুলজারিলাল নন্দগুলজারিলাল নন্দ দুবার দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেনপ্রথমবার ১৯৬৪ সালে জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর এবং দ্বিতীয়বার ১৯৬৬ সালে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর। দুই ক্ষেত্রেই তাঁর মেয়াদ ছিল মাত্র ১৩ দিনের মতো। ফলে কোনওবারই ১৫ আগস্ট তাঁর কার্যকালের মধ্যে পড়েনি, আর তিনি লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলনের সুযোগ পাননি।চন্দ্রশেখরভারতের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর ১৯৯০ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তাঁর সরকার মাত্র ছয় মাসেই পতন হয়। সেই সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা দিবস না পড়ার কারণে তিনিও কখনও লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করতে পারেননি।লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলনের তাৎপর্য১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহরু এই ঐতিহ্য শুরু করেন। এরপর থেকে প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করে দেশের উদ্দেশে ভাষণ দেন। এটি শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা, গর্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীক।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
রাজ্য

পরিযায়ী বাংলার শ্রমিকদের পাশে রাজ্য পুলিশ, বিশেষ আবেদন

বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি বিদ্বেষ চলছে বলে অভিযোগ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী তাঁদের কাউকে কাউকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখছে, মারধর করার মতো অভিযোগ উঠছে। এই অবস্থায় রাজ্য পুলি সোশাল মিডিয়া ভিনরাজ্যে কর্মরত বাঙালিদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছে। রাজ্য পুলিশ সামাজিক মাধ্যমে বলছে, বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে যোগাযোগ করুন রাজ্য পুলিশের হেল্পলাইনে।বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে যোগাযোগ করুন রাজ্য পুলিশের হেল্পলাইনেবাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে অনেকে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন এবং হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে আমরা খবর পাচ্ছি। কিন্তু যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের লোকজন এই West Bengal Police (@WBPolice) July 25, 2025বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে অনেকে নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন এবং হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে আমরা খবর পাচ্ছি। কিন্তু যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের লোকজন এই সমস্যার কথা কাকে জানাবেন, কীভাবে জানাবেন, সেই বিষয়ে ওঁদের কোনও স্পষ্ট ধারণা নেই।বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া নাগরিকরা যদি কোনও ধরনের সমস্যায় পড়েন, তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের কাছে আমাদের আবেদন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার স্থানীয় থানায় জানান। জেলার কন্ট্রোল রুমেও জানাতে পারেন। এ ছাড়া, পরিবারগুলির সুবিধার্থে আমরা চালু করছি একটি হেল্পলাইন। যার নম্বর হল 9147727666 । এই নম্বরে শুধু হোয়াটস্যাপ করা যাবে। মেসেজ করে প্রয়োজনীয় তথ্য এখানে দিতে পারেন, নিজের নাম-ঠিকানাসহ। প্রতিটি তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

জুলাই ২৫, ২০২৫
দেশ

আপাতত উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ জয় হিন্দ কলোনিতে

দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে উচ্ছেদ নিয়ে আন্দোলন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আপাতত বন্ধ থাকছে উচ্ছেদ অভিযান। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ওই এলাকায় এখন কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই রায় স্বস্তি এনে দিয়েছে স্থানীয় বাঙালি ভাষাভাষী বাসিন্দাদের।জয় হিন্দ কলোনি মিনি বাংলা বলে পরিচিত। বহু দশক ধরে বাঙালি পরিবাররা এখানে বসবাস করছেন। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এই এলাকাকে অবৈধ বসতি বলে চিহ্নিত করে উচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়, পানীয় জলের ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই আইনি পথের আশ্রয় নেন স্থানীয়রা। আপাতত এই এলাকার বাসিন্দারা স্বস্তিতে।

জুলাই ২৫, ২০২৫
দেশ

বাংলায় কথা, বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ওড়িশায়, আতঙ্কে পরিযায়ী শ্রমিকরা

ওড়িশায় (Odisha) মুর্শিদাবাদের প্রায় ৩৬ জন পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে আটকে রাখার অভিযোগ। ওড়িশার পাড়াদ্বীপ থানার পুলিশ তাদের এক ক্যাম্পে আটকে রাখে। জানাযায়, মুর্শিদাবাদের কিছু নির্মাণ শ্রমিক ওড়িশায় কাজে যায়। গতকাল পাড়াদ্বীপ থানার পুলিশ নির্মাণ শ্রমিকদের আধার কার্ড নিয়ে থানায় দেখা করতে বলে।সেই মত পরিযায়ী শ্রমিকরা থানায় দেখা করতে গেলে তাদের পুলিশ থানা থেকে নিয়ে গিয়ে একটি ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে। বাংলাদেশি সন্দেহে তাদের থানার পরিবর্তে অন্যত্র ক্যাম্পে আটকে রাখলো পুলিশ কিছুই জানেন না তারা।ঘটনায় বেশ আতঙ্কে রয়েছে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা।

জুলাই ০৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal